সৌদি আরবের হাকল শহর, যা একসময় খুব সাধারণ ছিল, এখন নিওম সিটির বিশাল প্রকল্পের কারণে এক নতুন রূপ নিয়েছে। এই উন্নয়নের ঢেউয়ে বাংলাদেশিদের ভূমিকা কী? প্রায় ১৫ বছর আগে হাগেলা (হাকল) কেমন ছিল এবং এখন এই শহরের পরিবর্তন কতটা চোখে পড়ার মতো, তা নিয়েই আজকের আলোচনা।
হাকল শহরের রূপান্তর
আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর আগে হাগেলা শহরের চিত্র ছিল ভিন্ন। সেখানকার স্থানীয়রা জানান, তখন মাসের বাসা ভাড়া ছিল মাত্র ৫০ রিয়াল। কিন্তু নিওম সিটির কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে এই শহরের চিত্র সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে মানুষের কর্মসংস্থান, সব ক্ষেত্রেই এসেছে বিশাল পরিবর্তন।
বর্তমানে হাকল শহরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের চাপ বেড়েছে। এর প্রধান কারণ হলো নিওম সিটির নির্মাণ কাজ। এই বিশাল প্রকল্পে যোগ দিতে অসংখ্য শ্রমিক ও কর্মী এখানে এসেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি রয়েছেন।
বাংলাদেশিদের অবদান
অনুমান করা হয়, প্রায় ১০,০০০ বাংলাদেশি কর্মী হাকল শহরে বসবাস করছেন। তাঁদের কেউ কেউ এখানে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, আবার অনেকে নিওম সিটির প্রকল্পে সরাসরি কাজ করছেন। এছাড়াও, অনেকে পৌরসভা (বলদিয়া) অধীনে বিভিন্ন কাজে নিযুক্ত আছেন।
- নিওম সিটির নির্মাণ কাজে সক্রিয় অংশগ্রহণ।
- স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছে বিভিন্ন ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে।
- পৌরসভা খাতেও অনেকে নিযুক্ত আছেন।
হাকল, একটি পর্যটন কেন্দ্র
হাকল শহরটি শুধুমাত্র নিওম সিটির কাজের জন্য নয়, এটি বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে, বিশেষ করে শীতকালে প্রচুর পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং মনোরম পরিবেশ পর্যটকদের কাছে এটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছে। পুরনো বাংলাদেশি প্রবাসীরা এই শহরের দীর্ঘদিনের পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছেন এবং এর উন্নয়নে তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য।
সৌদির হাকল শহরে নিওম সিটির কাজে বাংলাদেশিরা কীভাবে অবদান রাখছেন এবং শহরের পরিবর্তনগুলো কেমন, তা নিয়েই এই প্রতিবেদন। আপনার মতামত জানাতে আমাদের ইমেল করুন: [email protected]।

Leave a Reply