ইরানে বিক্ষোভের কারণ মূলত দেশের বর্তমান সরকার ব্যবস্থার উপর দীর্ঘদিনের অসন্তোষ এবং সাম্প্রতিক সময়ে মুদ্রামানের অবমূল্যায়ন। এই আন্দোলন অতীতের যে কোনো আন্দোলনের থেকে আলাদা, কারণ এবার বিক্ষোভ দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে এবং প্রায় ৪৫ জন মানুষ মারা গেছে।

“ইরানের মুদ্রার অবমূল্যায়ন আর অর্থনৈতিক সংকটের কারণে মানুষের অসন্তোষ বৃদ্ধি পেয়েছে।”

ইরানে বিক্ষোভের কারণ এবং পটভূমি

বিগত কয়েক বছর ধরে ইরানের অর্থনীতির অবনতি এবং মুদ্রার মানের দারুণ পতনের কারণে সাধারণ মানুষ জীবনযাত্রায় কষ্ট পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, তেলের আয় হ্রাস এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

  • মুদ্রার অবমূল্যায়ন: ডলারের বিরুদ্ধে রিয়ালের মূল্য প্রায় ১৪ লক্ষ পর্যন্ত নেমে আসা।
  • অর্থনৈতিক সংকট: তেলের বাজারে মূল্য পতন এবং চীনের চাহিদা কমে যাওয়া।
  • রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা: ক্ষমতা কেন্দ্রে দ্বন্দ্ব ও শাসন ব্যবস্থার দুর্বলতা।
  • সরকারি দমননীতি: বিক্ষোভ দমনে অতীতের চেয়ে কঠোর নীতি গ্রহণ।

বিক্ষোভের ভিন্নতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

এবারের বিক্ষোভ এত ব্যাপক যে তা আর শুধুমাত্র ইরানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার নয়, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আন্দোলনে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী ও ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতনের সম্ভাবনা রয়েছে।

“ইরানের ইতিহাসে এই ধরনের আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতনের সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত, কিন্তু এবারের পরিস্থিতি অপেক্ষাকৃত ভিন্ন।”

সামাজিক মাধ্যমে বিক্ষোভকারীরা নিজেদের আন্দোলনের ছবি প্রকাশ করতে শুরু করেছে, যা গত আন্দোলনগুলোর থেকে আলাদা একটি ব্যাপার। সরকারি শক্তি এখন বেশ বিব্রত অবস্থায় রয়েছে, এবং দেশের সর্বোচ্চ নেতার মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশ পেয়েছে।

বিক্ষোভ ও আন্দোলনের বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন।